অনলাইন ডেস্ক
দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এ কূপের উৎপাদন থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক প্রায় ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট (MMCFD) গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তিতাস-২৮ কূপে শুরু হলো গ্যাস সরবরাহ
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র তিতাসে নতুন কূপ থেকে উৎপাদন শুরু হওয়াকে দেশীয় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিতাস-২৮ কূপের উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ, শিল্প ও অন্যান্য খাতে গ্যাস সরবরাহের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন যোগ হবে ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, নতুন কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়লে আমদানিনির্ভরতার চাপ কিছুটা কমানো এবং বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে গুরুত্ব
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন ও মজুত নিয়ে চাপ রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গ্যাসের চাহিদাও রয়েছে।
এ অবস্থায় নতুন কূপ থেকে উৎপাদন শুরু হলে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানোর সরকারি উদ্যোগে তা একটি নতুন সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।
গ্যাস সরবরাহ বাড়লে যেসব খাতে প্রভাব পড়তে পারে
নতুন গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে সরবরাহ ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে—
বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ
শিল্পকারখানার জ্বালানি চাহিদা
গ্যাসভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড
জাতীয় গ্রিডের সামগ্রিক সরবরাহ সক্ষমতা
আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টা
তবে এসব খাতে প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা, গ্রিড সক্ষমতা ও সামগ্রিক চাহিদা-সরবরাহ ব্যবস্থাপনার ওপর।
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| কূপ | তিতাস-২৮ |
| অবস্থা | গ্যাস সরবরাহ শুরু |
| জাতীয় গ্রিডে সংযোজন | দৈনিক প্রায় ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট |
| উৎস | দেশীয় গ্যাস |
| মূল লক্ষ্য | জাতীয় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো |

0 Comments