খুলনা | ডেস্ক রিপোর্ট
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ৮৯টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৪১ হাজার ৫২০ টাকা উদ্ধার করেছে খুলনা ৩ এপিবিএনের অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
একই সময়ে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে নিখোঁজ এক ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান
৩ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন-এর নির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইউনিটটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মোবাইল ফোন ও অর্থ উদ্ধার করে।
ইউনিটটি মূলত হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রতারণা শনাক্ত এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করছে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের কাজেও ইউনিটটির কার্যক্রম রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে অভিযান
সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অভিযানে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন ৩ এপিবিএনের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), পুলিশ সুপার রামানন্দ সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আলী এবং সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলী নওয়াজ।
তাদের তত্ত্বাবধানে ইউনিটের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে হারানো মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত এবং বিকাশ প্রতারণার অর্থ উদ্ধারে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর
বুধবার ৩ এপিবিএনের কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন।
দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে এবং প্রতারণার অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা স্বস্তি প্রকাশ করেন।
অনলাইন প্রতারণা নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান
এ সময় অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন বলেন, সাধারণ মানুষের ইতিবাচক সাড়া ও সহযোগিতা পাওয়া গেলে সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন ঘটনায় আরও বেশি ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি সবাইকে অনলাইন প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কেউ প্রতারণার শিকার হলে বিষয়টি গোপন না রেখে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দেন।

0 Comments