Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বিজিবির হেফাজত থেকে দুই ভারতীয় চোরাকারবারিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, নিরাপত্তা জোরদার


রাঙামাটির বিলাইছড়িতে চোরাচালানের অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার পথে হামলার দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের দুমদুমিয়া এলাকায় বিজিবির হেফাজতে থাকা দুই ভারতীয় নাগরিককে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিজিবির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল চেকপোস্টে যানবাহন তল্লাশি চালায়। এ সময় ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ দুই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন চোরাচালানকারী হিসেবে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা ভারতের মিজোরাম প্রদেশের লংটিলা জেলার গবাছড়ি গ্রামের মনসিক্কা তঞ্চঙ্গ্যা ও সুশীল তঞ্চঙ্গ্যা বলে বিজিবি জানিয়েছে। তাদের কাছে ভারতীয় প্রসাধনসামগ্রী, আধার কার্ড ও কাপড়চোপড় পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে।

থানায় নেওয়ার পথে হামলার দাবি

বিজিবি জানিয়েছে, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর অধিকতর তদন্তের জন্য রাজস্থলী থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় শতাধিক মানুষের একটি দল বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিজিবির দাবি, হামলার একপর্যায়ে ওই দুই ব্যক্তিকে তাদের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কয়েকটি প্রতিবেদনে হামলাকারীদের সংখ্যা শতাধিক থেকে দেড় শতাধিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় আটক এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।

কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার গুরুত্ব কোথায়?

সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজত থেকে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ—তিনটি বিষয়ই সামনে আসে।

তবে হামলায় কারা জড়িত এবং ঘটনার পূর্ণ পরিস্থিতি কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। বিজিবির বক্তব্যের বাইরে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে সব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

Post a Comment

0 Comments