Header Ads Widget

Responsive Advertisement

১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল, পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম মার্চ–এপ্রিলে


বিমানমন্ত্রী: ধাপে ধাপে বাড়বে কার্যক্রম, যাত্রীসেবায় আসবে বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রত্যাশিত থার্ড টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুরু হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে টার্মিনালের কার্যক্রম বাড়িয়ে আগামী বছরের মার্চ–এপ্রিলের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর আশা করছে সরকার।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) থার্ড টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

১৬ ডিসেম্বর থেকে নতুন যাত্রার সম্ভাবনা

মন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম শুরু করা। প্রথম পর্যায়ে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু করে পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে এর সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব প্রস্তুতি ঠিকভাবে এগোলে ২০২৭ সালের মার্চ–এপ্রিলের মধ্যে থার্ড টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে

কমবে শাহজালালের বর্তমান যাত্রী চাপ

থার্ড টার্মিনাল চালু হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বর্তমান যাত্রী চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে নতুন টার্মিনালের আধুনিক অবকাঠামো ও সেবাব্যবস্থার কারণে যাত্রীদের বিমানবন্দর ব্যবহারের অভিজ্ঞতাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য check-in, boarding, baggage handling এবং অন্যান্য বিমানবন্দরসেবা আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।

গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিমান বাংলাদেশ

থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ দায়িত্ব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী।

যাত্রীদের লাগেজ দ্রুত হাতে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন টার্মিনালের কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সঙ্গে লাগেজ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

যাত্রীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

থার্ড টার্মিনাল চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের ওপর দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত চাপ কমানোর পাশাপাশি বিমানবন্দরের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসতে পারে।

এর সম্ভাব্য সুফল হিসেবে—

  • বিমানবন্দরের যাত্রী চাপ কমানো

  • যাত্রীসেবার মান উন্নত করা

  • লাগেজ ব্যবস্থাপনায় গতি বাড়ানো

  • গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও সংগঠিত করা

  • আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রায় আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা

—এসব ক্ষেত্রে উন্নতির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন

থার্ড টার্মিনাল নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর এবার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক এবং ২০২৭ সালের মার্চ–এপ্রিলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য সামনে এসেছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে কার্যক্রম শুরু করতে হলে অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, অপারেশনাল সমন্বয়, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং যাত্রীসেবা—সব ক্ষেত্রেই শেষ পর্যায়ের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

সব প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

Post a Comment

0 Comments