নিজস্ব প্রতিবেদক | জাতীয় ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য মেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটন প্রতিষ্ঠান, এয়ারলাইনস, হোটেল, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট সেবাদাতাদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা এবারের মেলার অন্যতম লক্ষ্য। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিত হবে এবং স্থানীয় পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ বাড়বে।
২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য বিটিটিএফ ২০২৬-এ ২০টির বেশি দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।
নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটন প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ফলে বিভিন্ন দেশের পর্যটন গন্তব্য, ভ্রমণ প্যাকেজ, হোটেলসেবা, বিমান যোগাযোগ এবং পর্যটন ব্যবসায় বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পাবে।
উদাহরণ হিসেবে, বাংলাদেশের কোনো ট্যুর অপারেটর মালদ্বীপ বা নেপালের কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করলে দুই দেশের পর্যটকদের জন্য সমন্বিত ভ্রমণ প্যাকেজ তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। এতে ভ্রমণকারীরা একই পরিকল্পনার আওতায় যাতায়াত, আবাসন ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের সেবা পেতে পারেন। তবে এ ধরনের ব্যবসায়িক চুক্তি মেলায় বাস্তবে সম্পন্ন হবে কি না, তা অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আলোচনার ওপর নির্ভর করবে।
২০০টির বেশি স্টল, ২২০টির বেশি প্রদর্শক
আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবারের মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল থাকবে। এতে ২২০টির বেশি প্রদর্শক, ২৫০ জনের বেশি যোগ্য ব্যবসায়িক ক্রেতা এবং আড়াই হাজারের বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশ নেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সাধারণ দর্শনার্থীর সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়াতে পারে বলেও আশা করছেন আয়োজকেরা।
চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে এয়ারলাইনস, হোটেল, ট্যুর অপারেটর এবং অন্যান্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা তুলে ধরবে।
এ ধরনের প্রদর্শনী শুধু ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য নয়; বরং পর্যটন খাতে নতুন ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী উদ্যোক্তা, হোটেল ব্যবসায়ী, পরিবহনসেবাদাতা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
একজন নতুন উদ্যোক্তা মেলায় অংশ নিয়ে জানতে পারেন, একটি নির্দিষ্ট পর্যটন গন্তব্যে ভ্রমণের জন্য কী ধরনের প্যাকেজের চাহিদা রয়েছে, হোটেল ও পরিবহনসেবার খরচ কত এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কীভাবে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা যায়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তিনি নিজের ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।
তবে আয়োজকদের উল্লেখ করা দর্শনার্থী ও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রত্যাশিত হিসাব; মেলা শেষে প্রকৃত অংশগ্রহণের পরিসংখ্যান আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।
পর্যটনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এআইনির্ভর পর্যটন বলতে ভ্রমণ পরিকল্পনা, গন্তব্য নির্বাচন, গ্রাহকসেবা, বুকিং ব্যবস্থাপনা এবং পর্যটকের পছন্দ বিশ্লেষণের মতো কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বোঝায়। এ প্রযুক্তি ভ্রমণকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য সাজিয়ে দিতে এবং পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ সহজ করতে পারে।
ধরা যাক, একজন পর্যটক ঢাকায় বসে সিলেট ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। তাঁর বাজেট সীমিত, সঙ্গে শিশু রয়েছে এবং তিনি প্রকৃতিনির্ভর পর্যটন পছন্দ করেন। এআইভিত্তিক কোনো ভ্রমণ সহকারী তাঁর বাজেট, যাত্রার সময়, আবাসনের পছন্দ ও আগ্রহ বিবেচনা করে সম্ভাব্য ভ্রমণসূচি সাজাতে পারে।
একইভাবে, কোনো হোটেল বা ট্যুর অপারেটর এআই ব্যবহার করে গ্রাহকের সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে, বুকিংয়ের তথ্য গুছিয়ে রাখতে এবং মৌসুমভিত্তিক চাহিদা বিশ্লেষণ করতে পারে। এতে সেবার গতি বাড়ানো এবং কর্মীদের নিয়মিত কাজের চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে এআইয়ের দেওয়া তথ্য সব সময় নির্ভুল নাও হতে পারে। ভ্রমণের মূল্য, আবহাওয়া, পরিবহনসূচি, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও প্রবেশসংক্রান্ত নিয়মের মতো পরিবর্তনশীল তথ্য নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা জরুরি। পর্যটনসেবায় ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রেও গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
টেকসই পর্যটন: পরিবেশ ও স্থানীয় মানুষের স্বার্থ রক্ষা
পর্যটন খাতের উন্নয়ন শুধু পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কোনো গন্তব্যের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, স্থানীয় সংস্কৃতি এবং বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা সুরক্ষিত রেখে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা করাও গুরুত্বপূর্ণ।
টেকসই পর্যটনের ক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানির সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত, স্থানীয় পণ্য ও সেবার ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।
উদাহরণ হিসেবে, সুন্দরবন বা হাওর এলাকায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে স্থানীয় নৌযানচালক, গাইড, খাবারের দোকান, হস্তশিল্প বিক্রেতা এবং আবাসনসেবাদাতাদের আয় বাড়তে পারে। কিন্তু পর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকলে প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। পর্যটকের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তাই পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, পরিবেশগত সীমাবদ্ধতা বিবেচনা এবং পর্যটন থেকে অর্জিত অর্থের একটি অংশ স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রবাহিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।
বিটিটিএফে টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দেওয়া হলে এ বিষয়ে ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক ও সেবাদাতাদের মধ্যে আলোচনা এবং বাস্তব উদ্যোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশের পর্যটন খাতে নতুন ব্যবসার সম্ভাবনা
বাংলাদেশে সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বন, নদী, হাওর, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে পর্যটন ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব গন্তব্যকে দেশি-বিদেশি পর্যটকের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতে প্রয়োজন উন্নত প্রচার, নির্ভরযোগ্য তথ্য, নিরাপদ যাতায়াত, মানসম্মত আবাসন এবং পরিকল্পিত ভ্রমণসেবা।
আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক যোগাযোগের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে। বিদেশি ট্যুর অপারেটররা বাংলাদেশের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে পারেন, আর দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের সেবা তুলে ধরতে পারে।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের জন্য এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। স্থানীয় পর্যটন গাইড, হোমস্টে পরিচালনাকারী, পরিবহনসেবাদাতা এবং হস্তশিল্প উদ্যোক্তারা বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেতে পারেন। তবে এ সুযোগ কাজে লাগাতে মানসম্মত সেবা, স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ, নিরাপত্তা এবং সময়মতো সেবা প্রদান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা
বিটিটিএফ ২০২৬ আয়োজনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা থাকার কথা জানানো হয়েছে।
এবারের মেলার টাইটেল স্পনসর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আতিথেয়তা, প্রযুক্তি, পরিবহন ও জনসংযোগ-সংক্রান্ত অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় পর্যটন খাতের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। কারণ পর্যটনের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ, সড়ক ও নৌপরিবহন, আবাসন, নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় অর্থনীতির সম্পর্ক রয়েছে।
তবে মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণই যথেষ্ট নয়। এসব যোগাযোগ থেকে বাস্তব ব্যবসায়িক চুক্তি, নতুন পর্যটন প্যাকেজ, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি কিংবা পর্যটন অবকাঠামোয় বিনিয়োগের মতো ফলাফল তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিই দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বিশ্লেষণ: মেলা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে বাস্তব ফলাফলের ওপর
বিটিটিএফ ২০২৬ বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে। ২০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা এবং শতাধিক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও পর্যটনসেবা প্রচারে সহায়ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে মেলার সাফল্য শুধু দর্শনার্থীর সংখ্যা, স্টলের পরিমাণ বা প্রদর্শনীর আয়োজন দিয়ে বিচার করা যথেষ্ট নয়। কতগুলো কার্যকর ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি হলো, কতটি অংশীদারত্ব চুক্তি হলো, নতুন কতটি ভ্রমণ প্যাকেজ চালু হলো এবং স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তারা কতটা উপকৃত হলেন—এসব বিষয়ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
এআই ও টেকসই পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটকের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে, আর টেকসই ব্যবস্থাপনা দীর্ঘমেয়াদে গন্তব্যের পরিবেশ ও অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে এই দুটি ক্ষেত্রেই কার্যকর নীতি, প্রশিক্ষণ, তথ্যের নির্ভুলতা এবং বিনিয়োগ প্রয়োজন।
বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ হলো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পর্যটনসেবার সঙ্গে যুক্ত করা। মেলার মাধ্যমে যদি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ে এবং বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তাহলে পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক অবদান বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।
কবে ও কোথায় অনুষ্ঠিত হবে মেলা?
বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬ আগামী ২৯ অক্টোবর শুরু হয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। ভেন্যু রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। আয়োজনটি করছে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
মেলার সময়সূচি, দর্শনার্থীদের প্রবেশসংক্রান্ত নিয়ম, নিবন্ধন এবং অন্যান্য ব্যবহারিক তথ্যের জন্য আয়োজকদের প্রকাশিত সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
এআই, টেকসই পর্যটন এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সহযোগিতাকে সামনে রেখে বিটিটিএফ ২০২৬ বাংলাদেশের পর্যটন খাতের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তব অর্থনৈতিক সুফলে রূপ দিতে প্রয়োজন মানসম্মত পর্যটনসেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, দক্ষ জনবল, প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং মেলার পর কার্যকর ব্যবসায়িক উদ্যোগ।

0 Comments