Header Ads Widget

Responsive Advertisement
BREAKING NEWS
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
সব সংবাদ

মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুর-লুট: তদন্তে পুলিশের গাফিলতির প্রমাণ

Next News Publisher Tools
পোস্টের headline ও প্রথম ছবির ভিত্তিতে 1200×630 social photo card এবং printable newspaper layout তৈরি হবে।


পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেই লুটপাট চলার তথ্য তদন্তে; অন্তত ১০ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার লুট হওয়া মালামাল

জাতীয় ডেস্ক | ঢাকা

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের সদস্যদের গাফিলতির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে যে, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি থাকা অবস্থাতেই লুটপাট চলছিল।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তদন্তে গুরুতর তথ্য

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেননি। ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের ভূমিকা বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে।

তদন্তে হামলা ও লুটপাটে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে অন্তত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুট হওয়া বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট কোনো নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।

মিরপুরের ডিসি জানিয়েছেন, যাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের ভূমিকা আরও যাচাই করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের মামলায় আসামি করা হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর ভোরে হামলা

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ভোরে মিরপুর-১ নম্বরে বেসরকারি এনজিও পরিচালিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে একদল ব্যক্তি হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।

হামলাকারীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যায় বলে কর্তৃপক্ষের অভিযোগ। পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবনের কিছু অংশও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।

লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফ্রিজ, এসি, ওষুধ ও টিকাদান সামগ্রীসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম থাকার কথা জানিয়েছে রাড্ডা কর্তৃপক্ষ।

ওসি প্রত্যাহার

ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ডিএমপি কমিশনার বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন। দারুস সালাম জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এরই মধ্যে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ডিএমপির অফিস আদেশে তার প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট নয়

রাড্ডার নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় এ ঘটনায় মামলা করেছেন। মামলায় স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

তবে তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং হামলা ও লুটপাটে তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Post a Comment

0 Comments