Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উপজেলা পর্যায়েই মিলবে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা, জাতীয় পরিকল্পনা করছে সরকার



জাতীয় | ১৮ আগস্ট ২০২৬

দেশের উপজেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালগুলোতে পৃথক চক্ষু বহির্বিভাগ, ইনডোর ও অস্ত্রোপচার সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

মঙ্গলবার রাজধানীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘WHO SPECS 2030 Initiative’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৫০০ উপজেলায় উন্নত চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এর ফলে চোখের চিকিৎসার জন্য প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের জেলা শহর বা রাজধানীতে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে।

সরকার একই সঙ্গে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে। পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ১০ লাখ ছানি অস্ত্রোপচার, বিপুলসংখ্যক মানুষের মধ্যে চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিসজনিত চোখের জটিলতা—বিশেষ করে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা সম্প্রসারণের লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য খাতে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে নিয়মিত ছানি অস্ত্রোপচার ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার সেবা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের আধুনিকায়ন এবং সম্প্রসারণেও একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েক মাসে চক্ষু চিকিৎসার পরিধি বাড়াতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং দেশি-বিদেশি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন।

Post a Comment

0 Comments