Header Ads Widget

Responsive Advertisement

সাবেক মেয়র লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা



বাংলাদেশ | ১৮ আগস্ট ২০২৬

রাজশাহীতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

একই আদেশে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্য চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।

মামলার শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় ট্রাইব্যুনালে তিনটি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ভিডিওগুলোতে কয়েকজন অভিযুক্তকে অস্ত্র হাতে গুলি চালাতে দেখা গেছে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ার পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন অনুমোদন করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা চারজনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

হাজির করার নির্দেশ পাওয়া চারজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, ডাবলু সরকার, জহিরুল ইসলাম রুবেল ও মোহাইমিনুল ইসলাম মানিক।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজশাহী মহানগরের কয়েকটি স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় রায়হান আলী ও আনজুম সাকিব নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার কথা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে রাজশাহীর শেখেরচক, শাহ মখদুম কলেজের সামনের এলাকা, পদ্মা নদীর বেড়িবাঁধ, আলুপট্টি মোড়সহ কয়েকটি স্থানকে ঘটনার স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় সংঘটিত কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে।

এর আগে ৩০ জুলাই ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন। সেই অভিযোগের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার তা আমলে নেওয়া হয়।

মামলাটি এখন পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের দিকে এগোচ্ছে। তবে আদালতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।

Post a Comment

0 Comments