মেট্রোরেলের নিচে সতর্কীকরণমূলক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মেট্রোরেল এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী সতর্কীকরণ টিমের কার্যক্রম সম্পর্কেও তথ্য চেয়েছেন আদালত।
রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
১৮ নভেম্বরের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন
মেট্রোরেল এলাকায় নিরাপত্তা ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে আদালতের নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আদালতের এই নির্দেশের ফলে মেট্রোরেলের নিচের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষ করে সিসি ক্যামেরা ও সতর্কীকরণ টিম বাস্তবে কীভাবে কাজ করছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কেন সিসি ক্যামেরা নিয়ে প্রশ্ন?
মেট্রোরেল অবকাঠামোর নিচের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি ব্যবস্থা কতটা কার্যকর—এ বিষয়টিই আদালতের সামনে গুরুত্ব পেয়েছে।
হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, মেট্রোরেলের নিচে সতর্কীকরণমূলক সিসি ক্যামেরা রয়েছে কি না। পাশাপাশি সেখানে দায়িত্বে থাকা সতর্কীকরণ টিমের কার্যক্রম সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. তানভীর আহমেদ। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
সামনে কী?
১৮ নভেম্বরের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মেট্রোরেলের নিচে নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থার বর্তমান চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
বিশেষ করে সিসি ক্যামেরার সংখ্যা, অবস্থান, কার্যকারিতা এবং সতর্কীকরণ টিমের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কী তথ্য প্রতিবেদনে আসে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
এক নজরে
বিষয়: মেট্রোরেলের নিচের নিরাপত্তা ব্যবস্থা
হাইকোর্টের প্রশ্ন: সতর্কীকরণমূলক সিসি ক্যামেরা আছে কি না
আরও জানতে চাওয়া হয়েছে: সতর্কীকরণ টিমের কার্যক্রম
আদালত: হাইকোর্ট
রিটের পক্ষে: অ্যাডভোকেট মো. তানভীর আহমেদ
অগ্রগতি প্রতিবেদন: ১৮ নভেম্বরের মধ্যে

0 Comments