Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উত্তরার দিয়াবাড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, রাইফেল ও গুলি উদ্ধার



নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল, ১৮টি শটগানের কার্তুজ এবং দুটি ৭.৬২ মিলিমিটার গুলি উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (৬ জুন ২০২৫) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

উত্তরার চার স্থানে রাতভর অভিযান

আইএসপিআর জানায়, ৬ জুন রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উত্তরার বিভিন্ন সেক্টরের চারটি স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের একপর্যায়ে উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টর, দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল। এ ছাড়া পাওয়া গেছে ১৮টি শটগানের কার্তুজ এবং দুটি ৭.৬২ মিলিমিটার গুলি।

কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি

অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

অর্থাৎ, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো কার, কী উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল কিংবা এগুলোর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তুরাগ থানায় হস্তান্তর

অভিযান শেষে উদ্ধার করা থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল, শটগানের কার্তুজ ও ৭.৬২ মিলিমিটার গুলি আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তুরাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর ফলে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম পুলিশের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জননিরাপত্তায় অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ

উত্তরার মতো ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানী এলাকায় পরিত্যক্ত বা গোপন অবস্থান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তবে অস্ত্রগুলো কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে, কতদিন ধরে ছিল এবং এর সঙ্গে কোনো অপরাধী চক্রের যোগাযোগ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।

বিশেষ করে অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা না হওয়ায় অস্ত্রের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ তুরাগ থানায় হস্তান্তরের পর পুলিশের তদন্তে এ বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

Post a Comment

0 Comments