Header Ads Widget

Responsive Advertisement

নিখোঁজ ২২০ শিশুর মিলেছে মরদেহ, প্রশ্নের মুখে উদ্ধার তৎপরতা


ক্রাইম ডেস্ক

সাড়ে পাঁচ বছরে নিখোঁজের পর অন্তত ২২০ শিশুর মরদেহ উদ্ধার; ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই ১৫,৭১৭ জিডি, এখনো সন্ধান নেই ২,০৩৮ শিশুর

দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। নিখোঁজ হওয়ার পর শিশুদের একটি অংশকে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা এবং নিখোঁজের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সাড়ে পাঁচ বছরে ২২০ শিশুর করুণ পরিণতি

২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরে নিখোঁজ হওয়ার পর অন্তত ২২০ শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া শিশুদের অনেকের মরদেহ ছিল পচে যাওয়া কিংবা গুরুতরভাবে বিকৃত অবস্থায়। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।

তবে একই সময়ে মোট কত শিশু নিখোঁজ হয়েছিল এবং তাদের কতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে—সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

সাত মাসেই ১৫ হাজারের বেশি নিখোঁজের জিডি

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য আরও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জন শিশু এখনো নিখোঁজ। অর্থাৎ ওই সময়ের নিখোঁজ-সংক্রান্ত জিডির প্রায় ১৩ শতাংশ শিশুর এখনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজের পর কতটা দ্রুত শুরু হয় অভিযান?

নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে দ্রুত অনুসন্ধান শুরু করা কতটা কার্যকরভাবে হচ্ছে—এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পর যখন কোনো কোনো শিশুর মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে, তখন পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুসন্ধান প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

একদিকে বিপুলসংখ্যক নিখোঁজের জিডি, অন্যদিকে এখনো সন্ধান না পাওয়া হাজারো শিশু এবং নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা—সব মিলিয়ে শিশু নিরাপত্তা ও নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Post a Comment

0 Comments