Header Ads Widget

Responsive Advertisement

পুলিশ রিপোর্টে জমি বিরোধে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৩


ইসিবি চত্বরে নিউ গিনি প্রপার্টিজে গভীর রাতে হামলা; পুলিশের দাবি, চাঁদাবাজির তথ্য মেলেনি

ক্রাইম ডেস্কঃ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউ গিনি প্রপার্টিজে গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির পেছনে জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিরোধ থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে একদল ব্যক্তি নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় দলবদ্ধভাবে এসে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল ও পরবর্তী অভিযানে মোট তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মামুন নামে একজনের বাড়ি গফরগাঁও এবং তিনি ভাসানটেক বস্তিতে থাকেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আরেকজন আসলাম, তার বাড়ি টাঙ্গাইলে এবং তিনি অটোরিকশাচালক। তৃতীয়জন মুন্না, তিনিও ভাসানটেক বস্তিতে থাকেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

স্টুডিওতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ঘটনার সময় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়। স্টুডিওর আসবাব, টেলিভিশন, ক্যামেরা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। ঘটনার পর সালমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত স্টুডিওর ভিডিও প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।

তবে পুলিশের দাবি, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ছিল—এমন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বরং পুরো নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

চাঁদাবাজির তথ্য নেই: পুলিশ

ঘটনার পর চাঁদা দাবির অভিযোগ সামনে এলেও ডিএমপি জানিয়েছে, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চাওয়ার কোনো তথ্য নেই।

ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকার সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে। তবে কার সঙ্গে কার বিরোধ এবং হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ কী—তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে, ঘটনার পর সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠে আসে। ফলে হামলার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে পুলিশের তদন্তের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তদন্ত চলছে

পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Post a Comment

0 Comments